Press "Enter" to skip to content

সীতাকুণ্ডে ইপসা’র ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তা মেলা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধি, সীতাকুণ্ড :
সীতাকুণ্ডে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের বাজার সংযোগ ও টেকসই প্রদর্শনী ২০২৫ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে নবদিগন্তে উন্নীত করার প্রত্যয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর অর্থায়নে পরিচালিত রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)-এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য উদ্যোক্তা মেলার আয়োজন করা হয়। গত বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ড এইচআরডিসি (মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই মেলাটি ছিল সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী এবং চট্টগ্রাম সদরের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং উৎপাদিত পণ্যের এক বিশাল প্রদর্শনী। শুরুতে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়িয়ে মেলা উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফখরুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুল্লাহ, প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কল্লোল বড়ুয়া,পিকেএসএফ-এর সেক্টর ভ্যালু চেইন স্পেশালিস্ট ডঃ এস এম ফারুক উল আলম প্রমুখ। ইপসা-র পরিচালক অর্থনৈতিক মোঃ মনজুর মোরশেদ চৌধুরী’র সভাপত্বিতে মেলায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইপসার সহকারী পরিচালক মোঃ নেওয়াজ মাহমুদ।
মেলাটি মূলত প্রাণিসম্পদের দুগ্ধ ও মাংসজাত পণ্যের বাজার উন্নয়ন সহ উদ্যানভিত্তিক উচ্চ মূল্যের ফসলের সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতাভুক্ত উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য ও সেবার বাজারজাতকরণ এবং গুণগত মান ও পদ্ধতি তুলে ধরার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আধুনিক মানের ভেটেরিনারি ল্যাব ও অনলাইন/অ্যাপস ভিত্তিক টেলিমেডিসিন চিকিৎসা। সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে খামার ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনের পরিমাণ ও পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা।পণ্যের বিএসটিআই, আইএসও, হ্যাসাপ, হালাল সার্টিফিকেশন বাজারে নিরাপদ পণ্যের সীমাহীন সম্ভাবনা খুলে দিচ্ছে, যার ফলে প্রান্তিক খামারির পণ্য পৌঁছে যাচ্ছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জৈব পদ্ধতিতে চাষ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গতিশীল করছে গ্যাপ তথা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি। এই পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ ও উদ্যানভিত্তিক ফসলের উপ-প্রকল্প দুটির আওতায় ৯০টিরও অধিক পণ্যের বাজারজাত ও মানোন্নয়ন হয়েছে। প্রত্যক্ষভাবে ৩৩ হাজার ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক ব্যক্তি এর সুফল পাচ্ছেন। গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে পিকেএসএফ ও ইপসা-র সম্মিলিত এই প্রয়াস ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। উদ্যোক্তাগণ তাঁদের পণ্য ও কর্মকাণ্ডের স্টলে বাহারি পসরা সাজিয়ে বসেন এবং এর অবদান স্বরূপ প্রত্যেককে শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার করুন-
More from চলমানMore posts in চলমান »

Comments are closed.

Mission News Theme by Compete Themes.