Press "Enter" to skip to content

সীতাকুণ্ডে সম্পক্তি বিরোধের জেরে বসতঘরে হামলা, ভাংচুর। নারী, শিশুসহ ৫ জন আহত– সংবাদ সন্মেলনে অভিযোগ

চলমান প্রতিনিধি :  সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড বয়বৃদ্ধ ছাবের আহামেদ (৭৮) এর কাছে জায়গা বিক্রি করে জায়গা বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো হামলা চালিয়ে বৃদ্ধ,মহিলা শিশুসহ ৫ জনকে আহত করে এবং বাড়ী ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে।এব্যাপারে আদালতে মামলা করা হয়েছে। হামলাকারীরা ঘটনা অন্যদিকে নিতে পাল্টা একটি মামলা করে হয়রানী করছে।আজ ৪ মে রবিবার সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সন্মেলনে ছাবের আহমদের পরিবারের লোকজন এই অভিযোগ করেন।

ছাবের আহদের ছেলে সামছুল আলম লিখিত অভিযোগে বলেন, আমাদের কাছে জায়গা বিক্রি করে দখল না দেয়ার জন্য নতুন পাড়া (ইব্রাহিম সুকানীর বাড়ী), ওয়ার্ড নং-০৭, বাড়বকুণ্ড আমার প্রতিপক্ষ জহির আহমদ ও আব্দুল মান্নান গং বিগত ৫/৬ বছর ধরে আমাদের জায়গা দখল করার জন্য সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে আমাদেরকে রক্তাক্ত আহত করে। এছাড়া বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করে আসছে।এই সন্ত্রাসী মাঈন উদ্দীন একজন দাঙ্গাবাজ, ভূমিদস্যু। সে বিভিন্ন সময় তার মা, বোন এবং তার দুই বৌকে সামনে রেখে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে হয়রানী করছে।

আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা নিয়ে স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্হানীয়ভাবে কয়েকদফা আপোষ মিমাংসা করে। কিন্তু মাঈন উদ্দীনকে বসতে বললেও সে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে স্থানীয়দের ডাকে সাড়া দেয়নি কখনো।এরপর আমরা ঘর করার জন্য ইট, বালু ও সিমেন্ট আনলে মাঈন উদ্দীন আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মিথ্যা মামলা করে আমাদের লক্ষ টাকার বালু ও সিমেন্ট নষ্ট করে ফেলে।

এদিকে গত ৭ এপ্রিল ২০২৫ইং আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মাঈন উদ্দীন ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে রড, কিরিচ, ধারালো দাসহ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়ে আমাদের বাড়ীর চতুর পাশের টিনের ঘেরা বেড়া ধারালো দা দিয়ে কেটে ফেলে এবং সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে পুরুষ মহিলা ও ১৫/১৬ বছরের দুই মেয়েকে লাঠিসোঠা, কিলঘুষি দিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত আহত করে,আমার বৃদ্ধ বাবাকেও আহত করে। পরে আমাদের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় এবং স্হানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করায়।

সম্প্রতি তারা আমার বড় ছেলে মেহেদি জিসাতের শ্বশুর ৫নং বাড়বকুন্ড ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক ইকরামুল হককে জড়িয়ে কিছু হলুদ সাংবাদিকদের দিয়ে কিছু অজ্ঞাত অন-লাইন এবং অজ্ঞাত পত্রিকায় মিথ্যা ও ভিক্তিহীন সংবাদ প্রচার করে। তার সামাজিক অবস্হান এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সামাজিক ভাবে সম্মানহানী করার অপ্রয়াস চালায়। অথচ ঐ ঘটনার দিন আমার বেয়াই (বড় ছেলের শ্বশুর) ইকরামুল হক উপস্থিত ছিলেন না।
আর ওই ঘটনার দুই ঘন্টার পর আমার বেয়াই আমাদের উপর হামলার ঘটনা শুনে ওনার মেয়েকে নিয়ে আমার বাড়ীতে আসেন। কিন্তু সীতাকুণ্ডবাসীকে বিভ্রান্ত করার জন্য আমার বেয়াইকে আওয়ামী যুবলীগের নেতা বানিয়ে অজ্ঞাত ভন্ড সাংঘাতিকদের দিয়ে অপ-প্রচার চালানোর চেষ্টা করে । অথচ আমার বেয়াই ইকরামুল হক ৫নং বাড়বকুন্ড ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক।

কিন্তু মাঈন উদ্দীন নিজেই বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের এজেন্ট সাবেক চেয়ারম্যান ছাদাকাত উল্যাহ’র এক নিষ্ঠ কর্মী যুবলীগ নেতা। তাছাড়া সে বর্তমানেও আমাদেরকে জানে মেরে লাশ বানিয়ে গুম করে ফেলার প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছে।

শেয়ার করুন-
More from চলমানMore posts in চলমান »

Comments are closed.

Mission News Theme by Compete Themes.